সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০৩:১৬ অপরাহ্ন

নতুন সাঁজে সাজছে কি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি?

মো. মনির হোসেন: নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নতুন উদ্যোগে সাজানোর পরিকল্পনা নিতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় কমিটি। কেন্দ্রীয় নেতারা যখন নারায়ণগঞ্জে এসে সাংগঠনিক তৎপরতার বিষয়ে খোঁজ নেন, তখন তারা বুঝতে পারে পরিবার কেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের রাজনীতি। যার ফলে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তি ও শক্তিশালী করার জন্য নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করেন তারা। আওয়ামী লীগের প্রবীণ ও দক্ষ সাংগঠনিক ভিত্তি তৈরি করতে পারে এমন নেতারাও তারুণ্যদিপ্তভাবে নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়ে রাজপথে নেমেছেন। আশা করা হচ্ছে, কোভিড পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেই নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির করতে ঢেলে সাজানো হবে। একাধিক সূত্র বলছে, ছাত্রলীগের সাংগঠনিক শক্তি মজবুত ও দলের জন্য নিবেদিত এমন কর্মীদের দিয়েই নতুন কমিটি গঠন করা হবে। বিলুপ্ত মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ কমিটিতেও অনুরূপ ভাবে সাজানো হবে। মহানগর শ্রমিকলীগেও থাকবে শক্তিশালী কমিটি। মোদ্দাকথা, নারায়ণগঞ্জে যাতে আওয়ামী লীগ কিংবা অঙ্গসংগঠনকে কেউ পারিবারিকভাবে ব্যবহার করতে না পারে কিংবা কোন কমিটির উপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারে এমন সাংগঠনিক রূপই দিতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। আর এতে করে অনেক নেতা পদ হারানোর ভয়ে আতঙ্কিত রয়েছেন বলেও জানা গেছে। তবে অচিরেই নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগকে নতুন করে সাজানো হবে এমনটাই প্রত্যাশা নেতাকর্মীদের।

এদিকে একটি সূত্র জানায়, থানা কমিটির পর জেলা বিএনপির সম্মেলন করার নির্দেশ দিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নারায়ণগঞ্জ শহরে বা শহরের বাইরে হতে পারে জেলা বিএনপির সম্মেলন। দলটির নেতারাও সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। নারায়ণগঞ্জে ক্ষমতাসীন দল জেলা বিএনপির সম্মেলন করতে না দিলে গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে হবে সম্মেলন। জেলা বিএনপির পদ প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে লবিং শুরু করে দিয়েছেন। সুত্রের খবর সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা এড.তৈমূর আলম খন্দকারও কমিটিতে ফিরতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির পূণাঙ্গ কমিটি গঠন নিয়ে দলের ভেতরে এবং বাইরে আলোচনা শুরু হয়েছে। সভাপতি ও সেক্রেটারী পদ নিয়ে নানা বিশ্লেষণ চলছে। থানা ও পৌরসভার পূণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য ৪৫ দিন সময় দিয়েছেন দলটির হাইকমান্ড। সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে নাসির-মামুনরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জেলার নেতা জানান, ত্যাগী কর্মীরা জেলা বিএনপির পদ পাবে। ভোটের মাধ্যমে সভাপতি- সেক্রেটারী নির্বাচিত হবে। কাজী মনিরুজ্জামান , তৈমূর আলম খন্দকার জেলা বিএনপির পদে আপাতত থাকছে না। এছাড়া যারা বিতর্কিত , যাদের কারণে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে তাদেরকে কমিটিতে রাখা হবে না। এটা দলের হাই কমান্ডের নির্দেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মতামত লিখুন........


© All rights reserved © 2018 Alokitonarayanganj24.net
Design & Developed by M Host BD
error: দুঃখিত রাইট ক্লিক গ্রহনযোগ্য নয় !!!