শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন

ফতুল্লায় ট্রেনের সঙ্গে সেনাবাহিনীর মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা নন্দলালপুর রেলগেটে  ডিএনডি প্রকল্পে দায়ীত্বরত সেনাবাহিনী যাতায়াতে ব্যবহৃত একটি নোয়া মাইক্রো ও ঢাকাগামী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। এসময় মাইক্রোটি টেনে হিচড়ে প্রায় ৪শ ফুট দূরে নিয়ে ফেলে দেয়। মাইক্রোটিতে তখন চালক ছাড়া কেউ ছিলো না। ফলে চালক মাথায় ও হাতে আঘাত পেয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত চালক আব্দুল জলিলকে (৩০) ধুমড়ে মুচড়ে যাওয়া মাইক্রো থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে পুলিশ জানিয়েছে আহত মাইক্রো চালকের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি তিনি সুস্থ্য আছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী ট্রেনের সঙ্গে ফতুল্লার নন্দলালপুর রেলগেটে এঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ডিএনডি প্রকল্পে দায়ীত্বরত সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রেলওয়ে পুলিশের এসআই মোকলেছ জানান, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) মেগা প্রকল্পে দায়ীত্বরত সেনাবাহিনীর সদস্যদের যাতায়াতে (ঢাকা-মেট্রো-চ ১৯-৯১১১) নোয়া মাইক্রোটি ব্যবহৃত হয়। বিকেল ৩টার সময় নারায়ণগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন কমলাপুর রেলষ্টেশনে যাচ্ছিল। এসময় নারায়ণগঞ্জের কাচপুর থেকে ওই নোয়া মাইক্রোটি বেসরকারী চালক আব্দুল জলিল একাই চালিয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে আসতে ফতুল্লার পাগলা এলাকায় যাচ্ছিল। তখন নন্দলালপুর এলাকায় একটি রেল ক্রসিং পাড় হওয়ার সময় ট্রেন এসে মাইক্রোটিকে টেনে হিচড়ে অন্তত ৪শ ফুট দূরে নিয়ে ফেলে দেয়। ওই সময় স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে মাইক্রো থেকে চালককে উদ্ধার করে পাগলা এলাকায় একটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চালক আব্দুল জলিলকে ঢাকা মেডিকেলে প্রেরন করেছেন।

তিনি আরো জানান, চালক আব্দুল জলিলের বিষয়ে খোজ খবর নিয়েছি তার বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। জলিল সেনাবাহিনীর গাড়ি চালক হলেও তিনি বেসামরিক।

এবিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান,নন্দলালপুর রেলগেটের বিষয়ে আমরা রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। সেখানে এরআগেও একাধিকবার দূর্ঘটনা ঘটেছে। ওই স্থানটি খুবই ঝুকিপূর্ন। ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম থেকে পাগলা এলাকায় যাতায়াতে নন্দলালপুর ওই রেল ক্রসিংটি ব্যবহৃত হয়। এ ক্রসিংটি বন্ধ করে দিলেও ব্যবসায়ীসহ জনসাধারনের দূর্ভোগ বাড়বে আর চালু রাখলে এখানে একজন গেটম্যান নিয়োগ দিতে হবে। আর নয়তো হতাহতের ঘটনা ঘটেই থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মতামত লিখুন........


© All rights reserved © 2018 Alokitonarayanganj24.net
Design & Developed by M Host BD
error: দুঃখিত রাইট ক্লিক গ্রহনযোগ্য নয় !!!