• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন
  • Bangla Converter

ফতুল্লার পাঁচটি ইউনিয়নকে নাসিকের অন্তভূক্ত করার দাবি

আলোকিত নারায়ণগঞ্জ ডেস্ক / ৪০ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সীমানা সম্প্রসারণের প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে ফতুল্লা ও আশপাশের পাঁচটি ইউনিয়নকে সম্পূর্ণভাবে সিটি করপোরেশনের আওতায় আনার দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা। তাদের বক্তব্য, কোনো ইউনিয়নের আংশিক এলাকা নয়, পুরো ইউনিয়নই নাসিকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত গণশুনানিতে ফতুল্লা, কুতুবপুর, এনায়েতনগর, কাশীপুর ও গোগনগর ইউনিয়নের বাসিন্দারা অংশ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

বক্তারা বলেন, ইউনিয়নের কিছু অংশ বা কয়েকটি ওয়ার্ডকে সিটি করপোরেশনের আওতায় আনা হলে একই ইউনিয়নের মানুষের মধ্যে নাগরিক সেবা ও প্রশাসনিক সুবিধা নিয়ে বৈষম্য সৃষ্টি হবে। তাই পুরো ইউনিয়নকে একসঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান তারা। তাদের ভাষ্য, সরকারি নির্দেশনায় উল্লেখিত প্রয়োজনীয় শর্তও এসব ইউনিয়নের ক্ষেত্রে পূরণ হয়েছে।

গণশুনানিতে মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেন, “ফতুল্লা ও গোগনগরে ৯০ শতাংশ ভোট বিএনপির। সে কারণে অতীতে গডফাদাররা সুকৌশলে এসব এলাকাকে সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হতে দেয়নি। এখন সেই পরিস্থিতি নেই। আমি আশাবাদী, জেলা প্রশাসক আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে জনগণের পক্ষে ইতিবাচক প্রতিবেদন দেবেন।”

তিনি আরও বলেন, পাঁচটি ইউনিয়নে উল্লেখযোগ্য কৃষিজমি নেই, তবে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো ও নগরায়ণের সব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তাই এসব ইউনিয়ন সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সব ধরনের যোগ্যতা অর্জন করেছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারীদের মতামত থেকে প্রশাসন উপলব্ধি করেছে যে ফতুল্লা থানার চারটি ইউনিয়ন এবং বন্দর উপজেলার একটি ইউনিয়নসহ মোট পাঁচটি ইউনিয়নের সম্পূর্ণ এলাকা সিটি করপোরেশনের আওতায় আনার বিষয়ে জনমত রয়েছে।

তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও সরেজমিন পরিদর্শনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন নিশ্চিত করাই প্রশাসনের লক্ষ্য।

জেলা প্রশাসক বলেন, জনকল্যাণের সিদ্ধান্ত তাড়াহুড়ো করে নেওয়া যায় না। সরকারের নির্ধারিত সব ধাপ সম্পন্ন করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের বিতর্কের সুযোগ না থাকে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..