• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
  • Bangla Converter
সংবাদ শিরোনাম
হঠাৎ বিদ্যুৎহীন ঢাকা-চট্টগ্রামের একাংশ ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের নিন্দা ও প্রত্যাহার দাবি সুজনের ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আরও এক জোড়া ট্রেন চালু ফতুল্লায় ছুরিকাঘাতে স্ত্রী-সন্তান হত্যা, ঘাতকের মৃত্যুদণ্ড আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে ৫ হাজার টাকা জরিমানা হবে! ফতুল্লায় পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধুকে খুন, টাকা, স্বর্নালংকার লুট ফতুল্লায় ৪ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তৃতীয় বারের মত পুরস্কৃত হলেন ডিএসবি ফতুল্লা জোনের হুমায়ুন ফতুল্লায় কুবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক স্বর্ণের দাম কমল, অপরিবর্তিত রুপার দাম

ফতুল্লায় ছুরিকাঘাতে স্ত্রী-সন্তান হত্যা, ঘাতকের মৃত্যুদণ্ড

আলোকিত নারায়ণগঞ্জ ডেস্ক / ৩৬ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায়ে ঘাতকের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হারেছ (৪৫) ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার গুলহরি (দুর্গাপুর) এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভোলাইল গেদ্দারবাজার এলাকায় শাহ আলমের বাড়িতে স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ও একমাত্র শিশুসন্তান সোহাগকে নিয়ে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালের ৮ জুলাই রাতে ফতুল্লার ভোলাইল গেদ্দারবাজার এলাকায় নিজ ভাড়া বাসায় পারিবারিক ঝগড়ার জেরে স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৩৫) ও শিশুসন্তান সোহাগকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে পালিয়ে যান হারেছ। পরে এই জোড়া খুনের ঘটনার পরদিন ৯ জুলাই নিহত মনোয়ারার ভাই মজিবুর রহমান মজিদ বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিসহ আসামি হারেছকে গ্রেফতার করে।

 

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত হারেছ তার স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দিও দেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০২০ সালের ২০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে মামলাটির বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, আদালত এই মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আসামি হারেছকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর আদালতের নির্দেশে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হারেছকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..