“আমি এখনই এটা বলব, আমরা যা দেখছি সেটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আমি ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলেছি, তাই আমি জানি এই খেলাটি একজন খেলোয়াড়ের শরীরে কতটা চাপ ফেলে। আর মেসি আজ দুই গোল করে বিশ্বকাপের সর্বকালের গোল রেকর্ড ভেঙে দিল? এটা একেবারেই পাগল করা ব্যাপার।
আমরা সবাই কীভাবে এমনভাবে বসে আছি যেন এটা স্বাভাবিক কোনো বিষয়? মানুষটা ৩৯ বছর বয়সী। ৩৯ বছর বয়সে বেশিরভাগ খেলোয়াড় হয়তো সমুদ্র সৈকতে বিশ্রাম নিচ্ছে, অথবা রবিবারের লোকাল ফুটবল খেলতেও কষ্ট হচ্ছে—আর সেখানে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টে আধিপত্য দেখাচ্ছেন। এটা যুক্তির বাইরে।
তিনি এখনও খেলোয়াড়দের পাশ কাটিয়ে যাচ্ছেন, সবার থেকে তিন ধাপ এগিয়ে খেলা বুঝতে পারছেন, আর গোল করছেন যেন তিনি এখনও ২০-এর কোঠায় আছেন।
এখন আর ফুটবল নিয়ে কোনো যুক্তি-তর্কের বাকি নেই। এমনকি যদি কেউ পুরোপুরি সবকিছু উপেক্ষা করে, শুধু নিজের চোখ দিয়ে মাঠে মেসি যা করছেন সেটা দেখলেই সব বুঝে যাওয়ার কথা। কোনো কৌশলগত বিশ্লেষণের দরকার নেই। শুধু স্ক্রিনের দিকে তাকালেই যথেষ্ট।
উল্লেখ্য, ওয়েন রুনি ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে ১২০টি ম্যাচে ৫৩টি গোল করেছেন। ২০০৩ সালে ১৭ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় ও গোলদাতা হিসেবে অভিষেক হয। ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার আগে তিনি দীর্ঘদিন জাতীয় দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন।