• মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
  • Bangla Converter

থানা হাজতে জয় বাংলা স্লোগান, দুই পুলিশ সদস্য ক্লোজড

আলোকিত নারায়ণগঞ্জ ডেস্ক / ৩৯ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানার হাজতে বসে ‎১০ কিশোর-তরুণের জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাঁরা হলেন ওই থানার এসআই মনিরুল ইসলাম ও কনস্টেবল জাহাঙ্গীর হোসেন।
এদিকে, থানার হাজতে আসামিদের হাতে মোবাইল ফোন পৌঁছানো এবং তা দিয়ে ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে পোস্ট করার ঘটনায় পুলিশের দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
‎আওয়ামী লীগের পক্ষে মিছিলের প্রস্তুতির সময় ওই ১০ জনকে আটক করা হয়েছিল। তাদের স্লোগান দেওয়ার ভিডিও ‘আজমেরী ওসমান’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়। আজমেরী ওসমান নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত প্রয়াত এমপি নাসিম ওসমানের ছেলে এবং আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি শামীম ওসমানের ভাতিজা।
‎পুলিশি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরা হাজতের ভেতরে মোবাইল ফোন কিভাবে পেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে বিভিন্ন মহলে।

ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। ভিডিও দেখে এবং আগে-পরের সব ঘটনা দেখে মনে হয়েছে গ্রেপ্তারকৃতরা কিশোর-তরুণ হওয়ায় পুলিশের সহানুভূতি পেয়েছিল। আর সেই সহানুভূতিকে পুঁজি করে তারা থানার ভেতরে স্লোগান দিয়ে সেটি রেকর্ড করে ছড়িয়ে দেয়। প্রশাসনকে এ ব্যাপারে আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার রাতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের সাইনবোর্ড এলাকায় গ্র্যান্ড চাঁদনী রেস্টুরেন্টের বিপরীতে ঢাকামুখী প্রধান সড়ক থেকে ওই ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আওয়ামী লীগের ব্যানারে মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়ার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মামলা করা হয় এবং রোববার সকালে আদালতে পাঠানো।
এ বিষয়ে ফতুল্লা থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুব আলম বলেন, গ্রেপ্তার এই ১০ জনকে থানার হাজতখানায় রাখা হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী আটকের বিষয়টি তাদের অভিভাবকদের ফোন করে জানানোর কথা। থানার হাজতে থাকা অবস্থায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এসআই মনিরুল ইসলাম সরল বিশ্বাসে তাদের ফোন ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন। কোনো এক ফাঁকে তাঁরা সংগঠনের পক্ষে স্লোগান দিয়ে ভিডিও ধারণ করে এবং তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। এ কারণে এসআই মনিরুল ও সেন্ট্রির দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল জাহাঙ্গীরকে ক্লোজ করা হয়েছে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..