• রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
  • Bangla Converter

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন

আলোকিত নারায়ণগঞ্জ ডেস্ক / ৩৭ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার পদত্যাগ করতে পারেন বলে বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে। কর্মকর্তাদের দাবি, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাতে পারেন। তবে এ বিষয়ে এখনো রাষ্ট্রপতির কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদে থাকা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তবে সংবিধান অনুযায়ী তার কাছেই শপথ নেয় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর তার কাছেই শপথ নিয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি।

গত দুই বছরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন রাষ্ট্রপতির অপসারণের দাবি জানালেও বিএনপি তাকে দায়িত্বে রাখার পক্ষে অবস্থান নেয়।

বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, চলতি মাসের শুরুতে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে মৌখিকভাবে পদত্যাগের অনুরোধ জানানো হয়। এ সময় তিনি কিছুটা সময় চেয়েছিলেন। এখন শুক্রবার দুপুর নাগাদ তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠাতে পারেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এদিকে পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিকভাবে অসুস্থ। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) করা সিটি স্ক্যান ও এমআরআই পরীক্ষায় তার স্নায়ুবিষয়ক জটিলতা ধরা পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পদত্যাগের পর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানা গেছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চলতি বছরের ৯ মে রাষ্ট্রপতি লন্ডনে যান এবং ১৮ মে দেশে ফেরেন। ওই সফরের সময় তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন বলেও কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বিষয়টি জানতে পারার পরই তাকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান রয়েছে।


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..